মোট পৃষ্ঠাদর্শন

Hadith Software/ হাদিস সফটওয়্যার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Hadith Software/ হাদিস সফটওয়্যার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৭ মে, ২০১৩

কুর’আনে প্রযুক্তি [পর্ব- ৩১ ]- বিচার দিবসে পৃথিবীর আকৃতি কেমন হবে?


কুরআনে প্রযুক্তি [পর্ব- ]- বিচার দিবসে পৃথিবীর আকৃতি কেমন হবে?


যেদিন পরিবর্তিত করা হবে এই পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং আসমানসমূহকে (অনুরূপভাবে) এবং লোকেরা একক, পরা মশালী আল্লাহর সামনে পেশ হবে। (ইবরাহিম, ১৪ : ১৮)
যখন পৃথিবী (-এর আকৃতি) সম্প্রসারিত করা হবে এবং তা নিক্ষেপ করবে তার গর্ভস্থিত সবকিছু আর তা হয়ে যাবে শূন্যগর্ভ। (ইনশিক্বাক, ৮৪ : ০৩-০৪)প্রথম আয়াতে যে আরবি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে তা হল ‘মুদ্দাত’ (ت ) যার অর্থ করা যেতে পারে : প্রসারিত, সমতল বা চ্যাপ্টাকৃত, কিংবা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে চওড়াকৃত। এই আয়াত বলে, বিচার দিবসে পৃথিবী হয়ে যাবে সমতল। অন্য কথায় এই আয়াত থেকে বুঝা যায়, বর্তমানে পৃথিবী সমতল অবস্থায় নেই। এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার সময়কাল হতে পারে ৬০৯ থেকে ৬২২ ঈসায়ি সালের মধ্যে। সে সময় একথা সার্বজনীনভাবে বিশ্বাস করা হত যে, পৃথিবী সমতল। প্রায় এক হাজার বছর পর পঞ্চদশ শতাব্দীতে কোপার্নিকাস এই তথ্য নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন যে, পৃথিবী আমাদের গ্রহজগতের কেন্দ্রবিন্দু নয়। পরবর্তী সময়ে গ্যালিলিও গ্যালিলি কোপার্নিকাসের তথ্যকে সমর্থন করে ঘোষণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে পরিভ্রমণ করে এবং তা সমতল নয়; বরং গোলাকার। কুরআন মাজিদে এই বাস্তবতা অবতীর্ণ হয়েছে বহু শতাব্দী পূর্বে।আদিম সময়কাল থেকে মানুষের অনুমানপূর্ব ধারনা করত যে, পৃথিবীর আকার হচ্ছে চ্যাপ্টা বা সমতল। হাজার বছর ধরে হাস্যকরভাবে মানুষ বেশি দূর পযর্ন্ত ভ্রমন করত না পৃথিবীর কিনারা থেকে ছিটকে পড়ে যাবার ভয়ে । ১৫৯৭ সালে ফ্রান্সিস ড্রেক প্রথম পৃথিবীর চারদিকে নৌ-ভ্রমন করে প্রমান করেছিলেন যে, পৃথিবী গোলাকার। দিনরাত্রির পরিবর্তন সম্পর্কে আল কোরআনের নিচের আয়াতটির দিকে দৃষ্টিপাত করা যাক-
031.029 أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُولِجُ اللَّيْلَ فِي النَّهَارِ وَيُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ يَجْرِي إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى وَأَنَّ اللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ



“তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পযর্ন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন? ” [সুরা লুকমান-৩১:২৯]


লক্ষনীয় যে এখানে বলা হচ্ছে, রাত ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিনও ধীরে ধীরে রাতে রূপান্তরিত হয়। এ ঘটনা কেবল পৃথিবী গোলাকার হলেই ঘটতে পারে। পৃথিবী যদি চ্যাপ্টা বা সমতলভূমি হত, তাহলে রাত্রি থেকে দিনে এবং দিন থেকে রাত্রিতে একটা আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে যেত। অর্থাৎ সেকেন্ডের মধ্যে দিন হতো আবার সেকেন্ডের মধ্যে
ই কিছু বুঝে উঠার আগেই রাতের প্রবেশ ঘটতো। একই তথ্য আল্লাহপাক দিয়েছেন সুরা যুমার : ৩৯ : ৫


৩৯ : ৫- خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالأرْضَ بِالْحَقِّ يُكَوِّرُ اللَّيْلَ عَلَى النَّهَارِ وَيُكَوِّرُ النَّهَارَ عَلَى اللَّيْلِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ يَجْرِي لأجَلٍ مُسَمًّى أَلا هُوَ الْعَزِيزُ الْغَفَّارُ





তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে। তিনি রাত্রি দিয়ে দিনকে আছাদিত করেন এবং দিন দিয়ে রাত্রিকে আছাদিত করেন। তিনি নিয়মাধীন করেছেন সূর্য ও চন্দ্রকে। প্রত্যেকেই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলতে থাকবে। জেনে রাখ তিনি পরাক্রমশালী, পরম ক্ষমাশীল। (কোরআন, ৩৯ : ৫)

Al-Qur'an, 039.005 (Az-Zumar [The Troops, Throngs])


উপরোক্ত বর্ণনা দিতে গিয়ে কোরআনে যে সমস্ত শব্দাবলী ব্যবহৃত রয়েছে - সেগুলো বেশ উল্লেখযোগ্য।
“আছাদিত বা মোড়ানো” অর্থে উপরের আয়াতটিতে যে আরবী শব্দটির ব্যবহার করা হয়েছে সেটি হলো “يُكَوِّرُ”। ইংরেজীতে এর অর্থ ”একটি জিনিষ দ্বারা অপর একটি জিনিষকে জড়িয়ে বা মুড়িয়ে দেয়া - যা কিনা একটি পোষাকের মতো ভাঁজ করা অবস্থায় গোছানো রয়েছে।” (উদারহণত, পাগড়ী যেমন করে পরিধান করা হয়, ঠিক তেমনিভাবে একটি জিনিষ দিয়ে অপরটিকে জড়ানোর কাজে আরবী অভিধানে এ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে)। দিন ও রাত্রি পরস্পরকে জড়িয়ে বা আছাদিত অবস্থায় রয়েছে - আয়াতটিতে প্রদত্ত এই তথ্য দ্বারা পৃথিবীর আকৃতির সঠিক তথ্যই প্রদান করা হয়েছে। এ অবস্থাটি কেবল সেই পযার্য়ে সঠিক হতে পারে যখন পৃথিবীর আকৃতি হয় গোলাকার।
এর অর্থ সপ্তম শতাব্দীতে নাযিলকৃত কোরআনে পৃথিবী গোলাকার হওয়ার বিষয়টির ইংগিত দেয়া হয়েছিল। যাই হোক এটা স্মরণ রাখা উচিত যে মহাবিশ্ব সম্পর্কে সে সময়কার জ্যোতির্বিদ্যার জ্ঞান ছিল ভিন্নরূপ। তখনকার সময় মনে করা হতো যে পৃথিবী একটি সমতল এলাকা আর এ বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করেই বিজ্ঞান বিষয়ক সমস্ত গণনা আর ব্যাখ্যাদি দাড় করানো হয়েছিল। অথচ আমরা গত শতাব্দীতে যে তথ্যটি জেনেছি তা কোরআনের আয়াতটিতে অন্তভুক্ত ছিল। যেহেতু কোরআন আল্লাহ তায়ালার বাণীর্, সেহেতু যখন বিশ্বব্রহ্মান্ডের বর্ণনা দেয়া হয়েছে, তখন সবচাইতে শুদ্ধ আর সঠিক শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।


“তুমি কি দেখ না আল্লাহ রাতকে দিনে এবং দিনকে রাতে পরিবর্তন করেন?” (সূরা আল লুকমান, ৩১:২৯) “তিনি রাত্রি দ্বারা দিনকে আচ্ছাদিত করেন এবং রাত্রিকে আচ্ছাদিত করেন দিন দ্বারা।” (সূরা আয যুমার, ৩৯:৫)

পেঁচানো বা জড়ানো আরবী শব্দ কাওওয়াররার অনুবাদ। এর মূল অর্থ হচ্ছে মাথার চারপাশে পাগড়ী পেঁচিয়ে বাঁধা। অবিরত পেঁচানোর পদ্ধতি-যাতে এক অংশ আরেক অংশের ভেতর ঢুকে যাচ্ছে, কুরআনে এমনভাবে বলা হয়েছে যে মনে হয় সে সময়ে পৃথিবীর গোলাকৃতি হওয়ার ধারণার সাথে মানুষ পরিচিত ছিল, যা স্পষ্টতঃই সত্য নয়।
পৃথিবী বলের মত পুরপুরি গোলাকার নয় বরং কমলা বা ডিমের মত, নিচের আয়াতে পৃথিবীর আকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে-

079.030 وَالأرْضَ بَعْدَ ذَلِكَ دَحَاهَا
“আর আল্লাহ্‌ পৃথিবীকে উহার পর ডিম্বাকৃতি করে তৈরি করেছেন”[৭৯:৩০]
Al-Qur'an, 079.030 (an-Naziat [Those who Drag Forth, Soul-Snatchers])

এখানে ডিমের জন্য ব্যাবহৃত আরবি শব্দ হচ্ছে “
دَحَاهَا” , যার অর্থ হচ্ছে উট পাখির ডিম, এবং উট পাখির ডিমের আকৃতি হল পৃথিবীর মত। স্যাটেলাইট হতে প্রাপ্ত ছবি ও বিভিন্ন জটিল যন্ত্রপাতির মাধ্যমে পরীক্ষা- নীরীক্ষার দ্বারা সুনিশ্চিত হওয়া গেছে আমাদের এ পৃথিবী exactly উট পাখির ডিমের ন্যায়। এইভাবে কোরআনে ১৪০০ বছর আগে পৃথিবীর আকৃতির বর্ণনা সঠিক দেয়া হয়েছে, যদিও পৃথিবী চ্যাপ্টা হবার ধারনাটাই তখন প্রচলিত ছিল।


পৃথিবী তার গোলাকৃতির কারণে, কখনো তার সমগ্র অংশে একই সময়ে দিন হয় না। তার যে অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে তাতে দিন হয় এবং তার বিপরীত অংশে হয় রাত। পক্ষান্তরে, বিচার দিবসে একই সময়ে সারা পৃথিবীতে দিন থাকবে। এটি তখনই সম্ভব যখন পৃথিবীর আকৃতি গোলাকার থেকে সমতলে পরিবর্তিত হবে। এটা হুবহু তা-যা উপরে উদ্ধৃত দ্বিতীয় আয়াতে উল্লিখিত হয়েছে। যদি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে কুরআন রচনা করে থাকেন, তবে তিনি কিভাবে ধরনের জটিল প্রাকৃতিক রহস্য উদ্ঘাটনে সক্ষম হলেন? পূর্বে আরব উপদ্বীপের মত একটি মরুভূমিতে বসে এই বিস্ময়কর তথ্য নিশ্চয় কল্পনা করতে সক্ষম ছিলেন না

বুধবার, ২২ মে, ২০১৩

Download -"Hadith Software/ হাদিস সফটওয়্যার"

বাংলা হাদিস সফটওয়্যার

#ডিজিটাল_বাংলা_হাদিস_টিম_DBHT" একটি বাংলা হাদিসের ইউনিকোড সফটওয়্যার। যা সম্পুর্ণ অফলাইন ভিত্তিক সফটওয়্যার। এখানে আপনি পাবেন ৫০ হাজারেরও বেশি হাদিস। ইসলামি বই, অডিও হাদিস সহ,


বিভিন্ন ইসলামি স্কলারদের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব। এখান থেকে যে কোন হাদিস কপি করা যায় যা ব্লগ বা প্রবন্ধে রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।

সফটওয়্যারটি সম্পূর্ন ১০০% ফ্রি। ডাউনলোড এবং শেয়ার করুন সাদকায়ে জারিয়া হাসিল করুন।

#কি_ভাবে_এই_সফটওয়্যারটি ডাউনলোড, ইনষ্ট্রল এবং ব্যাবহার করবেন তা জানার জন্য এই ভিডিএটি দেখুন।

https://www.youtube.com/watch?v=_5PB2Ynm6Oo

সফটওয়্যারটিতে রয়েছে-

১। হাদীসে কুদসী (الحديث القدسي)- ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-১৬৩টি)

২। সহিহ বুখারী (صحيح البخاري) – ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৭৫৬৩ টি)

৩। সহিহ মুসলিম (صحيح مسلم) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৭২৫৩টি)

৪। সুনান আবু দাউদ (سنن أبي داود) – ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৫২৭৪টি)

৫। জামে তিরমিজী (جامع الترمذي) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৩৯৫৬টি)

৬। ইবনে মাজাহ (سنن ابن ماجه) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৪৩৪১টি)

৭। হাদীস সম্ভার -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৩৯০২টি)

৮। সুনান নাসাঈ (سنن النسائي) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৫৭৫৮টি)

৯। মুয়াত্তা মালিক (موطأ مالك) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-১৮৮৪ টি)

১০। মুসনাদে আহমদ (مسند أحمد)-ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-২৫৯৯টি)

১১। মিশকাতে যয়িফ জাল -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-১৩৩৩টি)

১২। মিশকাতুল মাসাবিহ (مشكاة المصابيح) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৪১৬৩টি)

১৩। আদাবুল মুফরাদ (الأدب المفرد) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-১৩২২টি)

১৪। সিলসিলাতু যয়িফাহ (سلسلة الضعيفة) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-২০০০টি)

১৫। সিলসিলা সাহীহাহ (سلسلة الصحيحة) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-১০০০টি)

১৬। রিয়াযুস স্বলেহীন (رياض الصالحين) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-১৯০৫টি)

১৭। বুলূগুল মারাম (بلوغ المرام) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-১৫৬৮টি)

১৮। হিসনুল মুসলিম (هيسنول مسلم) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-২৬৭টি)

১৯। লূ-লূ ওয়াল মারজান (اللؤلؤ والمرجان) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-১৯০৫টি)

২০। ৪০ হাদীস (الأربعون النووية) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৪২টি)

২১। যুযউল কিরআত (جزء القراءة ) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৩০০টি)

২২। শামায়েলে মোহাম্মদীয়া (الشمائل المحمدية) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-৪১৫টি)

২৩। যুযউ রফউল ইয়াদাঈন (جوجول رافليادين) -ডাটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে- (হাদীস-১১৮টি)

২৪। সুনান আদ-দারবকুতনি- (হাদীস-১৫৪৪টি)

২৫। আত-তারগীব ওয়াততারহীব- (হাদীস-২০০টি)

#কি_ভাবে_এই_সফটওয়্যারটি ডাউনলোড, ইনষ্ট্রল এবং ব্যাবহার করবেন তা জানার জন্য এই ভিডিওটি দেখুন।


ডাউনলোড  ওয়েবসাইট- www.hadithsoftware.net

----Screenshot-------






 --------SUPPORT-------

* WE SUPPORT 24/7 FREE IF you face installation problem just install TEAM VIEWER and contact us and give us your team viewer we will try our best inshallah

 Support Url: https://hadithsoftware.net/?page_id=121

 Support Email: rub_sanjida@yahoo.com

 -Support Phone-

- 01870268226-sharear azam

- 01816671264- sarawer jalal

- 01710446112- Sayeduzzaman

- 01739914929 - Sujon Forazi

* Website:- www.hadithsoftware.net

* FB/DBHT1

-----Donation to us----------

01870268226-Nagad
---Bank---
Shahrear Azam, A / C-No.: 300812100018192, 
Chwakbazar br. Shahjalal Islami Bank, Chittagong, Bangladesh.